একসাথে ৪টি টিপস জেনে নিন

এক সাথে ৪টি  টিপস্ দেওয়া হলো !


((১))

 চুল পড়া রোধ করবেন যেভাবে । 

 চুল পড়ার জটিল কোনো কারণ নেই। খাদ্যাভ্যাস, আবহাওয়া, বেশি সময় ধরে হেলমেট ও ক্যাপ পরা ইত্যাদি চুল পড়ার প্রধান কারণ। সম্প্রতি একদল গবেষক বলছেন, এসব কারণকে সহজে এড়িয়ে চলা যায়। কিছু উপায় অবলম্বন করলে চুল পড়া রোধ করা যায়।



 প্রতিদিন হালকা ভাবে শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করতে পারেন। তাতে আপনার মাথা পরিষ্কার থাকবে।


 শুধু শরীর সুস্থ রাখার জন্যে নয়, চুল পড়া বন্ধের জন্যেও বেশি বেশি ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। এক্ষেত্রে ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘ই’ আছে এমন খাদ্য বেশি সুফল বয়ে আনবে।


 এছাড়া খাবার তালিকায় আমিষ জাতীয় খাদ্যের পরিমাণ বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ বেশি করে খেতে হবে।


 নিয়মিত প্রয়োজনীয় তেল দিয়ে মাথা ম্যাসেজ করতে পারেন। তিলের তেল ও আমলকীর তেলএক্ষেত্রে অনেক উপকারী।


 পেয়াজ, রসুন ও আদার রস দিয়ে মাথা ম্যাসেজ করলেও উপকার পাবেন।


 তাছাড়া ভেজা চুল আঁচড়ানো থেকে বিরত থাকুন। ভেজা চুল আঁচড়ালে বেশি পরিমাণে চুল পড়ে।


 চুলের গোড়া শক্ত করতে বেশি পরিমাণে পানি খাওয়া উচিৎ। পানি শুধু চুলের জন্য নয় স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্যেও অত্যাবশ্যকীয় ।


 সবুজ চা অর্থাৎ চায়ের সবুজ পাতা প্রতিদিন আপনার মাথায় ঘষলে চুল পড়া বন্ধ হবে।


 মানসিকভাবে আপনি কখনো চাপে থাকবেন না। মানসিক চাপ কমানোর জন্যে মেডিটেশন ও যোগব্যায়াম করতে পারেন।


 প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। এজন্য সাঁতার কাটতে পারেন অথবা হাঁটাহাটি করতে পারেন। ব্যায়াম করলে হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক থাকে।


 অনেককে দেখা যায়, চুল শুকানোর জন্যে বা চুলে স্টাইল করার জন্যে অনেকেই চুলে হিট দিয়ে থাকে। এ থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। 


চুল যাতে ঘেমে ভিজে না যায় বা ঘেমে গেলেও যাতে বেশি সময় না থাকে সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।


 যদি বেশি পরিমাণে চুল পড়তে থাকে তাহলে অবশ্যই সব সময় মাথা আলগা রাখবেন। বেশি ঢেকে রাখার চেষ্টা করবেন না।


অনেক সময় দেখা যায়, কোনো রোগের কারণে ঔষধ খেলে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে চুল পড়ে যায়। এজন্য ঔষধ নেয়ার সময় অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে পরামর্শ নিতে হবে।



((২))ঘরোয়া_পদ্ধতিতে_চুলের_যত্ন 


দীঘল কালো সুন্দর চুল আমাদের সবারই পছন্দ। কিন্তু চাইলেই কি তা সম্ভব? চুলের আছে নানা সমস্যা। চুল পড়া, আগা ফাটা থেকে শুরু করে চুল পাকা আরও কত কিছু। তাই যত্ন নিতে হয় নিয়মিত। চুলের যত্ন নিতে আমাদের প্রথমেই জানা দরকার আমাদের চুলে ধরন সম্পর্কে।


চুলের প্রাকৃতিক যত্ন আমরা ঘরেও নিতে পারি। আসুন জেনে নেই চুলে যত্নে ঘরোয়া পদ্ধতি নিয়ে।



 সপ্তাহে তিন দিন ছয় টেবিল-চামচ নারকেল তেল দিয়ে ২০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে।


 মাথায় খুশকির উপদ্রব থেকে বাচতে নারকেল তেলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এক ঘণ্টা মাথায় রেখে তারপর শ্যাম্পু করুন।


একটি কাচের শিশিতে এক টেবিল-চামচ মধু ও চার টেবিল-চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর শিশি ঝাঁকিয়ে চুলের গোড়ায় পাঁচ-দশ মিনিট ম্যাসাজ করে ২০ রাখুন মিনিট। তারপর শ্যাম্পু করুন।


 চার টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল মাথার তালুতে আলতো হাতে মেখে রেখে দিন ২০ মিনিট। পাতলা চুল ঘন হবে, চুল পড়াও কমবে।


 একটি ডিম, এক টেবিল-চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে ঘষে ঘষে মাখান চুলে। শাওয়ার ক্যাপ লাগিয়ে রেখে দিন আধা ঘণ্টার মতো। তারপর শ্যাম্পু করুন। এই প্যাক চুলে কন্ডিশনারের কাজ যেমন করবে, চুলকেও মজবুত করবে।


 আমলকী পেস্ট দুই টেবিল-চামচ, ডিম একটি এবং টক দই আধা কাপ মেখে প্যাক তৈরি করতে পারেন। কন্ডিশনার ও প্রোটিন প্যাক দুটোরই উপকার পাবেন।


 অনেকের মাথায় কিছু অংশের চুল পাতলা হয়ে মাথার ত্বক দেখা যায়। তাঁরা আমলকী বেটে পেস্ট করে তার রস লাগাবেন প্রতিদিন। দুই সপ্তাহ লাগানোর পর ফল পাবেন। দুই টেবিল-চামচ আমলকীর সঙ্গে দুই টেবিল-চামচ তিলের তেল ও আধা কাপ টক দই মিশিয়ে নিন। এই প্যাক ব্যবহারে শুষ্ক চুলে আসবে ঝলমলে সতেজতা।

 প্রতিদিন অন্তত একটি আমলকী খাওয়ার চেষ্টা করুন। চুল পড়া কমবে।

 চুলে উকুন থাকা একটি সাধারণ সমস্যা। ঘর্মাক্ত ও ভেজা চুলে উকুন দ্রুত বংশ বিস্তার করে। সে ক্ষেত্রে উকুন ধ্বংস করার ওষুধ ব্যবহার করুন। নারকেল তেলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন লাগালেও উকুন মরে যাবে।


((৩))চুলের_যত্নে (প্যাক)

 চুল নরম কোমল করতেঃ

টক দই, নারকেল তেল এবং অ্যালোভেরা জেল ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি চুলে ব্যবহার করুন। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। প্রাণহীন, নির্জীব, রুক্ষ চুলকে নরম, কোমল, এবং ময়োশ্চারাইজ করে তুলবে এই প্যাকটি। নিয়মিত ব্যবহারে এই প্যাকটি চুলের রুক্ষতা দ্রুত দূর করে দেবে।


 চুল পড়া রোধঃ

১/৪ কাপ মেথি গুঁড়োর তার সাথে ১ কাপ টক দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মাথার তালুসহ সম্পূর্ণ চুলে এই প্যাকটি ব্যবহার করুন। ২ ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে এক বার ব্যবহার করুন। এই প্যাকটি চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করে। 


 রুক্ষতা দূর করতেঃ

টকদই, বাদাম তেল এবং একটি ডিম ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি চুলের গোড়া থেকে সম্পূর্ণ চুলে ভাল করে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ফেলুন। ডিমের পুষ্টি এবং তেলে চুলের রুক্ষতা দূর করে দিয়ে চুল স্লিকি করে তোলে।


 খুশকি দূর করতেঃ

মাথার তালুর রুক্ষতা, খুশকি দূর করতে এই প্যাকটি বেশ কার্যকর। তিন টেবিল চামচ অলিভ অয়েল টক দইয়ের সাথে ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি মাথার তালুতে ১০ মিনিট চক্রাকারে ম্যাসাজ করে লাগান। এর পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দুই বার ব্যবহার করুন।


((৪))

#ত্বকের_যত্নে ও #সৌন্দর্যে_টকদইের ফেস প্যাক

====================================

#রূপমেলা_বিউটি_পার্লার

 টকদই প্রায় সব ধরনের ত্বকের জন্যই খুব ভালো। এটা ত্বকে এমনি যেমন ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়, তেমনি খুব সহজে ঘরে থাকা অন্যান্য উপকরণের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা খুব সহজেই দূর করতে পারে। নিয়মিত ত্বকে টকদইয়ের ব্যবহারে ত্বক হয় আরও ফর্সা, দূর হয় ত্বকের অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ আর পিগ্মেনটেশন এবং খুবই কম সময়ে রোদে পোড়া ভাব চলে যায়।


 স্কিন হোয়াইটেনিং দই এর ফেস প্যাক- 

================

এই ফেস প্যাক রেগুলার ব্যবহার করলে ত্বক খুব দ্রুত উজ্জ্বল হবে। সাথে সাথে ত্বকের ব্রণ সহ অন্যান্য দাগ ছোপ হালকা হয়ে যাবে। সব ধরনের ত্বকের অধিকারীরাই এই প্যাকটা ব্যবহার করতে পারবে।


কী কী লাগবে-


    ১ টেবিলচামচ তাজা টকদই

    ১ চাচামচ লেবুর রস

    আধা চা চামচ মধু


 কী করবেন-


সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট সমান ভাবে মুখ ঘাড় আর গলায় লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর উষ্ম পানিতে ধুয়ে ফেলুন।


দই এর- ট্যানিং ফেস প্যাক-

=========

এই প্যাকটাও সবাই ব্যবহার করতে পারবেন। সমস্যা বেশি হলে ( ত্বক খুব বেশি রোদে পুড়ে গেলে ) প্রত্যেকদিন ব্যবহার করলে খুব দ্রুত ফল পাবেন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এটা খুবই উপকারী, আর যারা প্রথম প্যাকটা ব্যবহার করতে পারবেননা ত্বকের সেন্সিটিভিটির জন্য তারাও এটা ব্যবহার করতে পারেন।


কী কী লাগবে-


    টমেটো অর্ধেক করে কাটা

    ১ টেবিল চামচ টক দই

    এক চিমটি চিনি


 কী করবেন-


কাটা টমেটোর টুকরার উপর চিনির গুঁড়া ছড়িয়ে নিন। এবার এটার উপরে টক দই নিন। এবার এই টমেটোর টুকরা রোদে পোড়া ত্বকে হালকা করে ম্যাসাজ করুন। এতে ত্বকের ডেডসেলস উঠে আসবে। চিনির দানা গলে গেলে ফেস প্যাক মুখে আরও ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

    Tags :

No Comment yet. Be the first :)

Related Posts